নিউজপ্রেসবিডি । NewsPressBD
সত্য, সম্পূর্ণ সত্য এবং কেবলমাত্র সত্য

রাজনীতির মাঠে আবারও আগুন

দীর্ঘদিন বিরতির পর নয়াপল্টনে আবারও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘন্টাখানেকের জন্যে নয়াপল্টন যেন রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। আজ দুপুরে সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপের এই ঘটনা ঘটে।

নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রমের মধ্যেই ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। বুধবার বেলা ১টার আগে কর্মী-সমর্থকদের একটি মিছিল ফকিরাপুলের দিক থেকে বিএনপি কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে মিছিল নিয়ে যেতে নিষেধ করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

- বিজ্ঞাপন -

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে জানা যায়, বিএনপি কর্মীরা পুলিশের দিকে ঢিল ছুড়তে শুরু করলে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে চলে লাঠিপেটা। এক পর্যায়ে পুলিশ কিছুটা দূরে সরে যায় এবং নাইটিংগেল মোড়ে অবস্থান নেয়। বিএনপি কর্মীরা তখন নয়া পল্টনের সড়কে থাকা বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

সংঘর্ষের মধ্যে বিএনপি অফিসের সামনে থাকা অনেকেই আশ্রয়ের আশায় কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে যান। বিএনপি অফিসের সবগুলো গেইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। পল্টন থানার ওসি মাহমুদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, পার্টি অফিসের সামনে আসা নেতাকর্মীরা সড়কে বিশৃঙ্খলভাবে অবস্থান করছিল। পুলিশ তাদের সুশৃঙ্খলভাবে থাকতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তারা বিনা উসকানিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

বেলা দেড়টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে গাড়িতে দেওয়া আগুন নেভাতে শুরু করেন। বিএনপিকর্মীরা রাস্তা আটকে রাখায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয় বলে অগ্নি নির্বাপক বাহিনীর কর্মীরা জানান। পরে সংঘর্ষ কমে এলেও নয়া পল্টনে উত্তেজনা চলছিল। বিএনপি নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল করছিলেন। অন্যদিকে পুলিশ অবস্থান নিয়েছিল নাইটিংগেল মোড়ে। বেলা ২টা পর্যন্ত ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। অন্য সড়কের এর প্রভাব পড়ে এবং যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। মানুষ বিলম্বে গন্তব্যে পৌঁছ

গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জনমনে আতংক সৃষ্টি হয় এবং লোকজন দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। আজ বেলা একটার দিকে নয়াপল্টনের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়র এক পর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন পর আবার এই আগুন দেয়র ঘটনাকে মানুষ সাধারণভাবে নিচ্ছে না। নির্বাচনকে সমনে রেখে এধরণের আগুন দেয়ার ঘটনা নির্বাচন পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে। মানুষ যখন ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার পথে তখন এধরনের ঘটনা জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে ।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা অনুমান করব আপনি এর সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি যদি চান তবে আপনি অপট-আউট করতে পারেন। স্বীকারআরও পড়ুন