নিউজপ্রেসবিডি । NewsPressBD
সত্য, সম্পূর্ণ সত্য এবং কেবলমাত্র সত্য

আওয়ামী লীগের ভাগ্যবান যারা

১২

ভাগ্যবান যারা তাদের আজ চিঠি দেয়া হচ্ছে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন কমিটির পক্ষ থেকে। প্রার্থিতা চূড়ান্ত করার পর তাদের হাতে প্রত্যায়নের এই চিঠি তুলে দেয়া হচ্ছে।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্বাচন কমিশনে দলীয় মনোনয়নের এই প্রত্যায়নপত্রও জমা দিতে হবে। দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে এই প্রত্যায়নপত্র যারা জমা দেবেন, কেবল তারাই নৌকার প্রার্থী হবেন চূড়ান্তভাবে। ।

রবিবার সকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এই চিঠি বিতরণ শুরু হয়। ৩০০ আসনে কারা আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন, কোন আসনগুলো জোট শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো দেয়া হয়নি।

- বিজ্ঞাপন -

বিভিন্ন আসনে মনোনীতরা সকাল থেকে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভিড় করছেন এবং দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করছেন। দলের উপ দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া সাংবাদিকদের জানান, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কনফার্মেশন চিঠি দেয়া হচ্ছে।

ভাগ্যবান যারা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩ ও রংপুর-৬), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), আসাদুজ্জামান খাঁন (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক (ঢাকা-১৪), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), শেখ জুয়েল (খুলনা-২), মাশরাফি বিন মর্তুজা (নড়াইল-২), মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), আব্দুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), এনামুল হক (রাজশাহী-৪)।

জোটগতভাবে নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শনিবার ১৪ দলীয় জোটের শরিক দল জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি এবং মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির (জাপা) সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, আসনের দাবিতে কম গুরুত্ব দিয়েই আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকতে চায় জাতীয় পার্টি।বিএনপিবিহীন দশম সংসদ নির্বাচনে এইচ এম এরশাদের দল জাতীয় পার্টি সমঝোতার ভিত্তিতে আলাদাভাবে অংশ নিলেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধেই অংশ নিয়েছিল একথাই বাস্তব।

২০০৮ সালে ২৭টি আসন জয়ী জাতীয় পার্টি বর্তমানে সংসদে আসন ৩৪টি। একাদশ সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৪০টি আসন আওয়ামী লীগের কাছে জাতীয় পার্টি পেতে চায় বলে দলটির নেতাদের কথায় আভাস পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য হচ্ছে , সব মিলিয়ে শরিকদের ৬৫ থেকে ৭০টি আসন ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর, কার্যত তার আগেই জোট-মহাজোটগুলোর আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করতে চান নেতারা।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা অনুমান করব আপনি এর সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি যদি চান তবে আপনি অপট-আউট করতে পারেন। স্বীকারআরও পড়ুন