নিউজপ্রেসবিডি । NewsPressBD
সত্য, সম্পূর্ণ সত্য এবং কেবলমাত্র সত্য

মুক্তিযোদ্ধারা পাঁচটি উৎসব ভাতা পাবেন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা হবে কিনা অনিশ্চিত

২৪

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধারা এখন থেকে বছরে পাঁচটি উৎসব ভাতা পাবেন। পাবেন বিজয় দিবস ভাতা।

শুক্রবার শেরপুরের নকলায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করতে যেয়ে মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের দুটি ঈদ বোনাস ছাড়াও বাংলা নববর্ষ, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে বোনাস দেওয়া হবে। তিনি বলেন, পার্লামেন্টে পাস হয়েছে। বাজেটে বরাদ্দ থাকবে। এ বছর থেকেই বিজয় দিবস উপলক্ষে তারা পাঁচ হাজার টাকা করে পাবেন। ২০১৯ সাল থেকে স্বাধীনতা দিবস ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দুই হাজার টাকা করে পাবেন।

চলতি অর্থবছর থেকে বাজেটে এসব ভাতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকারে যেই থাকুক, এ বোনাস দিতে হবে। সরকারের সিদ্ধান্ত হয়েছে, উৎসব বোনাস চালু হয়েছে। এটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অব্যাহত থাকবে। এসব ভাতা দিতে নতুন করে কোনো প্রজ্ঞাপন জারিরও দরকার নেই বলে জানান মন্ত্রী মোজাম্মেল হক।

- বিজ্ঞাপন -

মোজাম্মেল হক বলেন, প্রত্যেক অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার জন্য ১৫-১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন,মুক্তিযোদ্ধাদের সব চিকিৎসার ব্যয়ভার ইতোমধ্যেই সরকার গ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ভোট চেয়ে বলেন, জনগণ দেশের মালিক। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকায় ভোট দিন।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সুলতানা রাজিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল মুনসুর, শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজিম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম হিরো, নকলা উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম, নকলা পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিভিন্ন সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তাদের ভাতা নিশ্চিত করা হলেও সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে এখনো সরকার কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস সহযোগী হিসেবে যারা মুক্তিযুদ্ধে ছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে থেকে অনেক কাজকর্ম ও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গ্রাম-গঞ্জের অনেক তরুণ জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধকে সহায়তা করেছেন। অনেকেই পাকিস্তানী পুলিশ বা পাকিস্তানী সৈন্যদের হাতে ধরা পড়ে নিগৃহীত ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। তাদের সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এখন সময়ের দাবি। ৭১ এর সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ নেতৃবৃন্দ সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং নিয়মিত ভাতা প্রদানের দাবি জানান।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা অনুমান করব আপনি এর সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি যদি চান তবে আপনি অপট-আউট করতে পারেন। স্বীকারআরও পড়ুন