নিউজপ্রেসবিডি । NewsPressBD
সত্য, সম্পূর্ণ সত্য এবং কেবলমাত্র সত্য

বকখালির কবিতা উৎসবে বাংলাদেশের কবি

পশ্চিমবঙ্গের বকখালি কবিতা উৎসবে কবিরা বলেছেন , কবিরা কাউকে জিজ্ঞাসা করে কবিতা লিখবেন না। কবিরা স্বাধীন। তাদের কলমও স্বাধীন। অবশ্য কবিদের একটি অংশ বলেছেন, কবির কলম যেন শাসকগোষ্ঠীর পাশাপাশি চলে। কবির সৃষ্টিকে প্রচার করার জন্যে এবং কবিকে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে হলে শাসকগোষ্ঠীর হাত ধরে চলাই উচিৎ হবে। কবিতা ক্ষমতার হাত ধরে চললে ক্ষতির কিছু নেই। কবিতা বেঁচে থাকুক।

এভাবেই বকখালি কবিতা উৎসবে অংশগ্রহণকারী কবিরা নিজেদের মত প্রকাশ করেন। ভারত ও বাংলাদেশের শতাধিক কবি এই উৎসবে যোগ দেন। বকখালি উৎসব উদযাপন কমিটির উদ্যোগে গত ১৭ ও ১৮ নভেম্বর দুইদিনব্যাপী সমুদ্রতটের শহর বকখালিতে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। নারী কবিরাও এই উৎসবে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশের কয়েকজন কবি এই উৎসবে অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন সরগম সম্পাদক কাজী রওনক হোসেন, কবি ও পর্যটক মাহমুদ হাফিজ এবং কবি ও সাংবাদিক আবদুল মান্নান। কবি নাজমুন নেসা আমন্ত্রিত কবি ছিলেন। কিন্তু তিনি বকখালির উৎসবে যোগ দিতে পারেননি। কলকাতায় একটি সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। প্রথম সেশনের সভাপতি হিসেবে বকখালির উৎসব উদ্বোধন করেন কবি অরুণ কুমার চক্রবর্তী। কবিতাপাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন কবি সৌমিত বসু, কবি গৌতম চৌধুরী, কবি উমাপদ কর, কবি আবু রায়হান, মনিদ্বীপা নন্দী বিশ্বাস, কবি আবদুল মান্নান, কবি মাহমুদ হাফিজ, কাজী রওনক হোসেন, ইন্দ্রাণী দত্ত পান্না, শকুন্তলা সান্যাল, কবি সুমন দিন্ডা, অমিত গোলই, ওয়াজেদ আলী প্রমুখ। কবি রবীন্দ্রনাথের ‘আগুনের পরশমণি ছোয়াও প্রাণে, এ জীবন পুণ্য কর- দহন দানে’ গনের মাধ্যমে কবিতা উৎসবের সমাপ্তি টানা হয়।

কলকাতা নগরী থেক প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে নামখানা বন্দর , সেখান থেকে প্রাইভেট কার যোগে সমুদ্র সৈকতের শহর বকখালি। সেখানে সমবেত হন শতাধিক কবি। ভাব বিনিময়, কথা বিনিময় এবং কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে ওই দুইদিন ছিল একটি উৎসবের শহর। বকখালির যে কোন মানুষই জানেন কোথায় হচ্ছে কবিতা উৎসব। উৎসবে বাংলাদেশের একজন কবির কঠোর সমালোচনা করা হয়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা অনুমান করব আপনি এর সাথে ঠিক আছেন, তবে আপনি যদি চান তবে আপনি অপট-আউট করতে পারেন। স্বীকারআরও পড়ুন